ঢাকা: শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পিরামিড কোথায়? ১ বছর দাঁত না মাজলে কী হবে?

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পিরামিড কোথায়? ১ বছর দাঁত না মাজলে কী হবে? এমন ২০টি প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাবে আজকের লেখায়। পড়ুন, লেখাটি তথ্যবহুল মনে হলে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরও পড়ার সুযোগ করে দিন।

আপনি কি জিানেন জর্জিয়া টেকের বিজ্ঞানীরা এমন একটি ঘড়ি তৈরি করেছেন যার পাওয়ার আসে হাতের নড়াচড়ার মধ্যে দিয়ে। এর অর্থ হলো এই ঘড়ি রিলিজ হওয়ার পর যখন আমরা এটা পরবো তখন স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সময় হাতের যে নড়াচড়া হবে তা থেকেই পাওয়ার পাবে এই ঘড়ি।

আবার যখন হাত স্থির থাকবে বা ঘড়ি হাতে পরা থাকবে না তখন এটা পাওয়ার নেবে ব্যাটারি থেকে, সেটাও আবার সূর্যের আলোর মাধ্যমে রিচার্জ হয়ে যাবে। মানে এই ঘড়িতে আপনার ব্যাটারি বা এ জাতীয় কোনো কিছুর ঝামেলাতে পড়তেই হবে না। আর এতে লাইফটাইম পাওয়ার থাকবে আর কখনই পাওয়ার শেষ হবে না।

কেচাপ অ্যান্ড ফ্রাইজ প্ল্যান্ট। টমেটো প্ল্যান্ট তো দেখেছেনই, আলুর চারাও দেখেছেন। কিন্তু এ দুটির মিশ্রন কি দেখেছেন? ইংরেজিতে টমোটে আর পটাটো মিলিয়ে একে বলা হচ্ছে পমেটো প্ল্যান্ট। অর্থাত এখানে একইসাথে টমেটো ও আলু ফলানো যায়। এ গাছের উপরের অংশে হবে টমেটো , আর নিচে হবে আলু। আর সেটাও একই সাথে।

কলম্বিয়ার জঙ্গলে একটি ফুল পাওয়া যায়, লাইভ সায়েন্সে এ ফুল নিয়ে আর্টিকেলও আছে, একে লোকে বলে ডেমন অর্চিড, বাংলায় রাক্ষুসে অর্চিড বলা যায়। কারণ এই ফুলের একটি অংশে স্পষ্ট রাক্ষসের মতো একটা মুখ দেখা যায়। এছাড়া ইউলান ম্যাগনোলিস নামে একটি ফুল রয়েছে, এটাও দেখতে একেবারে পাখির মতো।

বাদুড়ের রঙ কালো, এমনটাই আমরা জেনে এসেছি। কিন্তু আপনি কি জানেন বাদুড়ের একটা প্রজাতি আছে যার গায়ের রঙ সাদা। একে বলে হন্ডুরান হোয়াইট ব্যাট।

লিওনার্ডো গ্র্যানাটোর নাম শুনেছেন? তিনি হলেন ২৭ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন একজন পেইন্টার। তার আঁকা ছবিগুলো সত্যিই বিস্ময়কর। তিনি মূলত রঙগুলো নাক দিয়ে টেনে নেন, তারপর চোখ দিয়ে ফিনকি দিয়ে সেগুলো বের করে হাতের স্পর্শ ছাড়াই ছবি আঁকান। তার অনুপ্রেরণা হলেন আরেক অদ্ভূত শিল্পী জ্যাকসন পোলক। পোলকও প্রায় একইভাবে ছবি আঁকতেন।

পুরোনো বলিউড অভিনেতা দেব আনন্দকে নিয়ে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, তাকে কালো কোটে এতটাই সুন্দর দেখাতো যে তাকে একনজর দেখতে লোকজন বিল্ডিং থেকে লাফিয়ে পড়তো। আর সে জন্য আদালত তার কালো কোট পরা নিষিদ্ধ করে। কিন্তু এটা কি আসলে সত্য? এটা আসলে একটা গুজব। যা দেব আনন্দ তার আত্মজীবনী রোম্যান্সিং উইথ লাইফে পরিষ্কার করেছেন। এতে তিনি লিখেছেন, এ গুজবের বিষয়ে তিনি জানতে পারলেও তা মজার জন্য ওভাবেই রেখে দেন, যাতে মানুষ মজা করতে পারে।

সুপার মার্কেটে গেলে খেয়াল করবেন সেখানে মিউজিক বাজে। এই মিউজিকের কিন্তু একটা রহস্য আছে। এটা আসলে আমাদের মস্তিষ্কে একটা প্রভাব ফেলে। যার কারণে মানুষের হাঁটার গতি কমে যায়, আর তাদের কিছু না কিছু কিনতে আগ্রহ জন্মায়।

জাস্টিন ও. স্মিদ তৈরি করেছিলেন স্মিদ সূচক। এ সূচকে বলা হয়, কোনো পোকামাকড় আপনাকে কামড় দিলে তার ব্যথার পরিমাণ কিভাবে মাপা যায়। জাস্টিন সেটা মাপারই একটা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন। তিনি পোকামাকড় মাকড়সা এসব নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করে আসছেন। আসল কথা হলো এই সূচক আবিষ্কারের জন্য তিনি নিজে থেকেই পোকামাকড়রের কামড় খেয়েছেন। নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এ সূচকটি বানিয়েছিলেন। এর জন্য মৌমাছি, পিঁপড়ার মতো ৭৮টিরও বেশি প্রাণীর কামড় তাকে খেতে হয়েছে। তারপর তিনি দ্য স্টিং অব দ্য ওয়ার্ল্ড ব্ইটা লিখেছিলেন। আউটসাইড অনলাইন ডট কমেও এটা নিয়ে প্রতিবেদনও আছে।

গৌতম বুদ্ধের মাথার একটা অংশ দেখে অনেকে মনে করেন এটা হয়তো তার চুল। কিন্তু আসলে এগুলো শামুক। প্রচলিত আছে, তিনি যখন ধ্যানে বসেছিলেন তখন শামুকগুলো এসে তার মাথায় বসেছিল যাতে গরমে তার সমস্যা না হয় ও ধ্যান ভেঙে না যায়। এমন করতে করতে ১০৮টি শামুক তার পুরো মাথা ঘিরে ফেলে। আর আজকের মূর্তিতে যা দেখা যায় তার জন্ম এভাবেই।

ইংরেজি শব্দ ডেটের অনেকগুলো অর্থ আছে। একটি অর্থ তারিখ, অন্যটা যুগলদের দেখা করা, আরেকটি অর্থ হলো খেজুর। খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর একটি। এটা হার্টের জন্য খুবই ভালো। এতে আয়রনও ভরপুর।

পিরামিডের কথা শুনলেই আমাদের মনে মিসরের কথা আসে। মিসরেই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পিরামিড আছে বলে মনে হলেও আসলে কিন্তু তা সঠিক নয়। ১২০-১২৫টির মতো ছোটবড় পিরামিড আছে মিসরে। কিন্তু সুদানে ২২৫টি পিরামিড আছে। অর্থাত আসলে সুদানেই পৃথিবীর মধ্যে সবেচেয় বেশি পিরামিড আছে। সংখ্যার হিসাবে যা মিসরের পিরামিডের প্রায় দ্বিগুন।

ফর্ড অরোরা ২। এটা ১৯৬৯ সালের একটা গাড়ির মডেল। কিন্তু এর যে ইন্টেরিয়র ছিল তার মতো ইন্টেরিওর আজও আর বানানো যায়নি। এর সিটটা ছিল দেখতে অনেকটা সোফার মতো।

রেডিটে একবার এমন একটি গাছের ছবি পোস্ট করা হয়েছিল যেটা দেখে মনে হচ্ছিল দুটি গাছ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আছে।

অনেকের অভ্যাস আছে প্রস্রাব আটকে রাখেন। কিন্তু আপনি কি জানেন এটা করা খুবই খারাপ। এটা একবার করাও ঠিক না। কারণ এর কারণে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কারণ যে পদার্থ আপনার শরীর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে, তা যদি আটকে রাখা হয়, তবে তা শরীরে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। এতে সেখানকার মাসল ও টিস্যুর ক্ষতি হয়। এ কারণেই আমাদের কখনও প্রস্রাব আটকে রাখা উচিত নয়।

মরক্কোতে পৃথিবীর বৃহত্তম সোলার ফার্ম রয়েছে। উপর থেকে ড্রোন দিয়ে দেখলে বোঝা যায় ৩৫ হাজার ফুটবল মাঠের সমান এর আকার। বছরে ৮ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ ঠেকিয়ে দেয় এটা। এর অবস্থান সাহারা মরুভূমিতে। জায়গাটার নাম হলো নূর অরজাজাতে কমপ্লেক্স বা মরক্কো সোলার ফার্ম।

আপনি কি জানেন ২০২৭ সালে মহাকালে প্রথম হোটেল চালু হওয়ার কথা আছে। হোটেলটির নাম ঠিক করা হয়েছে ভয়েজার স্টেশন। এটা সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক একটা হোটেল হবে। অরবিটাল অ্যাসেম্বলি করপোরেশন এটা চালু করছে। সবচেয়ে দারুণ ব্যাপার হলো কেবল নভোচারীরাই এ হোটেলে থাকবেন ব্যাপারটা মোটেও তেমন নয়, বরং পৃথিবীর যেকোন মানুষ টাকার বিনিময়ে এ হোটেল গিয়ে থাকতে পারবেন, আবার স্পেসশিপে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবেন। মানে কোথাও বেড়াতে গেলে আমরা যেমন হোটেলের ভিউকে গুরুত্ব দেই, যাতে হোটেলের জানালা বা বারান্দা থেকে সাগর বা পাহাড় দেখা যায়, তেমনি এ হোটেলের জানালা দিয়ে সাগর বা পাহাড় তো দূরের কথা পুরো পৃথিবীটাই দেখা যাবে।

অ্যামাজনের মালিক জেফ বেজোস একসময় তার কোম্পানিতে একাই ছিলেন। তিনি একাই একটা কম্পিউটারে বসে কাজ করতেন। আর সেখানে জেফ বেজোস এখন পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষ। তেমনি গুগুলও একসময় ছিল ছোট একটি ভবনে, আর এখন তাদের অফিস রীতিমতো একটা রাজপ্রাসাদ।

স্যান ফ্রান্সিসকো গার্টার নামে একটা সাপ আছে। যাকে অনেকে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর সাপ বলে থাকেন। কারণ এ সাপটার শরীরের রঙ একেবারে আলাদা। এ সাপটাকে দেখলে মনে তার শরীরে কেউ হয়তে পেইন্টিং করেছেন। অথবা ভিডিও বা ছবিতে এডিট করা হয়েছে। কিন্তু আসলে প্রাকৃতিকভাবেই তার রঙ এমনই।

১৬ মাসের একটা বাচ্চার হার্টে একটু সমস্যা হয়েছিল। তার হার্ট প্রতিস্থাপনের জন্য অন্য হার্ট পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন কৃত্রিম হার্ট দিয়ে চিকিতসকরা শিশুটিকে ১৩ দিন বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। সিবিএস নিউজে এ নিয়ে আর্টিকেল আছে।

আপনি যদি ব্রাশ না করেন তবে আপনার দাঁত কতদিন থাকবে? কখনও কী এমন হবে যে ব্রাশ না করার কারণে আপনার সব দাঁত উঠে গেছে। ব্রাশ না করার কারণে আপনার দাঁতে জমা হবে হলদেটে প্লাক। এগুলো হলো মূলত খাবারের ছোট ছোট অংশ। সেই সাথে থাকে ব্যাকটেরিয়া। এই প্লাক অন্য ব্যাকটেরিয়াদেরও কাছে ডাকে। একদিন ব্রাশ না করলেই প্লাক জমা হয়। আর যদি এক সপ্তাহ কেউ ব্রাশ না করে তার প্লাক হাজার গুণ শক্তিশালী হয়ে যাবে। দাঁতের রঙ নষ্ট হয়ে যাবে। মুখ দিয়ে প্রচুর দুর্গন্ধও বরে হবে। তিন মাস ব্রাশ না করলে আপনার দাঁতে বড় বড় ক্যাভিটি দেখা যাবে। একবছর পর গিয়ে পেরিওডনটিটিস হয়ে যাবে। এ সময় মাড়ির ক্ষতি হবে, দাঁতে ফাঁক হবে, এতে আরও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করবে। এরপরই মূলত দাঁত পড়তে শুরু করবে।

Rent for add

Facebook

for rent