ঢাকা: শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

মেঘা : চেলসির এক ভক্তের গল্প

চেলসি গত কয়েক দশকে ইউরোপের বড় একটা ক্লাবে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রিমিয়ার লিগে দলের ফ্যান ফলোয়িংও লম্বা হয়েছে। বহু মানুষকে ক্লাবটি যেমন অনুপ্রাণিত করেছে তেমনি মানুষের জীবনেও দুর্দান্ত প্রভাব ফেলেছে।

সেরকমই এক উদাহরণ ভারতের কুইম্বাতুরের মেঘা জোসে। মেঘার জীবনে চেলসি নামের এই ক্লাবটির বড় প্রভাব রয়েছে।

২০০৭ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে চেলসির বিখ্যাত এফএ কাপ জয়ের পর প্রচুর অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন এবং তখন থেকেই তিনি এই নীল শিবিরের ভক্ত। তখন জোসে মরিনহো চেলসির হয়ে বেশ দাপট দেখাচ্ছিলেন। মরিনহো বিভিন্ন কৌশলে ইংলিশ ফুটবলে বিস্ময়কর কাজ করছিলেন। তখন ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড এবং ডিডিয়ার দ্রগবার মতো খেলোয়াড়রা প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছিলেন।

২০০৭ সালের এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে করা দ্রগবার গোলটি অনেক তরুণ ফুটবলপ্রেমী অনুপ্রাণিত করেছিল। আইভেরিয়ান এই স্ট্রাইকার হলেন ক্লাবটির আধুনিক দিনের কিংবদন্তি এবং ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের সাথে মেঘার অন্যতম আইডল।

মেঘা এখন নিজের শহরে ‘দ্যা পাওসোম পিপল প্রজেক্ট’ নামে একটি সংস্থা পরিচালনা করছে, যা বেওয়ারিশ কুকুরদের নিয় কাজ করে।সংগঠনের অনেক স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে এবং প্রাণী কল্যাণের মাধ্যমে শহরে তারা পরিবর্তন আনছেন।

মেঘা বলছেন যে মহামারীর এই সময়ে চেলসি যে সামাজিক উদ্যোগ দেখিয়েছে সেটিও তাকে নিজের শহরে পরিবর্তন আনতে অনুপ্রাণিত করেছে।

মহামারির শুরুর পর সামাজিক কাজে চেলসি ইংল্যান্ডের অন্যতম সক্রিয় ক্লাব হিসেবে ভূমিকা রেখেছে এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের জন্য বেশ কয়েকটি কার্যক্রম তারা করেছে। ইউরোপের কয়েকটি ক্লাবের মধ্যে চেলসি অন্যতম যা মহামারির সময়ে তার সমস্ত কর্মী-সদস্যকে ধরে রেখেছে। মেঘা চেলসির বড় একজন অনুরাগী।

Rent for add

Facebook

for rent