ঢাকা: সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

ডে ট্রিপ: ঘুরে আসুন ঢাকার বাইরে

ডে ট্রিপ, ঢাকার আশপাশে ভ্রমণ
যারা ঢাকায় থাকেন তারা অনেকেই জানেন না যে, স্বল্প সময়ে ঢাকার আশপাশে ঘুরতে যাওয়ার মতো জায়গাগুলো কোথায়

সময় পেলে পরিবার নিয়ে কে না ঘুরতে যেতে চায়? কিন্তু যারা ঢাকায় থাকেন তারা অনেকেই জানেন না যে, স্বল্প সময়ে ঢাকার আশপাশে ঘুরতে যাওয়ার মতো জায়গাগুলো কোথায়। চলুন এ সম্পর্কে জেনে যেওয়া যাক সংক্ষেপে।

নরসিংদীর উয়ারী বটেশ্বর
উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ৭০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। উয়ারী-বটেশ্বর (Wari Bateshwar) মাটির নিচে অবস্থিত একটি দুর্গ-নগরী। বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী এটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো। তবে, ২০০০ খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কৃত কিছু প্রত্ন নিদর্শনের কার্বন-১৪ পরীক্ষার প্রেক্ষিতে উয়ারীর বসতিকে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

উয়ারী ও বটেশ্বর ছিল দুটি আলাদা জায়গা, যেখানে বসবাস ছিল বিখ্যাত গঙ্গারিডি জাতির। উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগরকেন্দ্র। উয়ারী-বটেশ্বরে আড়াই হাজার বছরের প্রত্ন নিদর্শন আবিষ্কারের কাহিনী একটি জনপদের অস্তিত্বের কথা প্রমাণ করে দেয়। এখন পর্যন্ত প্রায় সব প্রত্নতত্ত্ববিদই একে ওই জনপদের রাজধানী বলে আখ্যায়িত করেছেন। স্বীকৃতি দিয়েছেন রৌপ্যমুদ্রা প্রাপ্তির স্থান হিসেবে উয়ারী-বটেশ্বরে।

জল ও জঙ্গলের কাব্য

জল ও জঙ্গলের কাব্য বা পাইলট বাড়ি খ্যাত রিসোর্টটি গাজীপুর জেলাস্থ টংগীর পুবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে তোলা হয়েছে। এই রিসোর্টিতে প্রকৃতিকে অবিকৃত রেখে বাঁশ আর পাটখড়ি দিয়ে সুনিপুণ ডিজাইনারের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে। বিলের উপর অপার্থিব জোছনা দেখতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই জল ও জঙ্গলের কাব্য রিসোর্টে আসতে হবে। রাজধানী ঢাকার কাছে অল্প সময় ও স্বল্প খরচে সারাদিন কাটানোর জন্য জল জঙ্গলের কাব্য একটি চমৎকার স্থান।

অনাবিল সবুজ আর বিলের শান্ত জলে বড়শি হাতে একটি দুপুর আপনার নিভৃতচারী মনের স্বপ্নসাধ পূরণের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া ঢাকার বেশ কাছে হওয়ায় দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায়। বাঁশ, পাটখড়ির বেড়া, ছনের ছাউনি আর দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশি জন্ম দিয়েছে এক পরিচ্ছন্ন গ্রামীন ছোঁয়া। জল জঙ্গলের কাব্য রিসোর্টে নিজস্ব জমিতে চাষ করা শাক-সবজি, ধান এবং বিলের মাছ দিয়ে তৈরি খাবার পরিবেশন করা হয়। জল জঙ্গলের কাব্য রিসোর্টে বাণিজ্যিক স্বার্থ থেকেও পেশাদারিত্বকে প্রাধান্য দেয়া হয় তাই একদিনের ছুটির অবসরে ঘুরে আসতে পারেন জল জঙ্গলের কাব্য থেকে।

বেলাই বিল, গাজীপুর
গাজীপুরের বেলাই বিল মনোরম একটি জায়গা। চেলাই নদীর সাথেই বেলাই বিল। এখানে ইঞ্জিন চালিত আর ডিঙ্গি নৌকা দুটোই পাওয়া যায়। যেটাতে ভালো লাগে উঠে পড়ুন। সারাদিনের জন্য ভাড়া করে নিতে পারেন এবং ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিলে নিজেরাই চালিয়ে ঘুরতে পারেন। বিকেলে এই বিলের চারপাশে অপূর্ব দৃশ্য তৈরি হয়, সাথে শাপলার ছড়াছড়ি। শুধু চারিদিক তাকিয়ে থাকবেন। আবার কিছুক্ষণ পরপরই বাতাসের ঝাপটা লাগবে গায়ে। বেশি সময় নিয়ে গেলে অবশ্যই খাবার নিয়ে যাবেন।


শাহরুখ খান

শাহরুখ খানের সেরা কয়েকটি সংলাপ

কোই ধান্দা ছোটা নাহি হোতা অর ধান্দে সে বাড়া কই ধারাম নাহি হোতা


বিশাল এই বিলটির কোনো কোনো স্থানে প্রায় সারা বছরই পানি থাকে, তবে বর্ষায় এর রূপ বেড়ে যায় অনেক। বর্তমানে বিলটি আট বর্গমাইল এলাকায় বিস্তৃত হলেও একসময় এটি আরও বড় ছিল। বাড়িয়া, ব্রাহ্মণগাঁও, বক্তারপুর ও বামচিনি মৌজা গ্রামঘেরা বেলাই বিল। আজ থেকে ৪০০ বছর আগে বেলাই বিলে কোনো গ্রামের অস্তিত্ব ছিল না। খরস্রোতা চেলাই নদীর কারণে বিলটিও খরস্রোতা রূপে বিরাজমান ছিল। বর্ষা মৌসুমে জেলেরা বিলের চারপাশে মাছ ধরার জন্য ডাঙ্গি খনন করে। আর শুষ্ক মৌসুমে বিলটি হয়ে ওঠে একফসলি জমি। তাতে চাষ হয় বোরো ধান।

ধনবাড়ি রয়্যাল রিসোর্ট, টাংগাইল
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবিস্থিত নওয়াব বাড়ি এখন নওয়াব আলী হাসান আলী রয়েল রিসোর্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রাভাষা বাংলার প্রথম প্রস্তাবক এবং ব্রিটিশ সরকারের মন্ত্রী নওযাব বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর সেই ঐতিহ্যবাহী নওয়াব বাড়ীটিই আজকের সুপ্রতিষ্ঠিত “রয়েল রিসোর্ট”। বেসরকারী উদ্যাগে প্রতিষ্ঠিত এই পর্যটন কেন্দ্রটি ঢাকা থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-জামালপুর মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত। প্রায় সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এ রয়েল রিসোর্টে।

এখানকার দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে নওয়াব মঞ্জিল, নওযাব প্যালেস, নওয়াব শাহী জামে মসজিদ, দীঘি, ভিলা ইত্যাদি। এসব পুরনো নকশাখচিত অট্টালিকার সব বেডরুমের ফার্নিচারসমূহ সেই নবাবী আমলের। এছাড়াও রয়েছে সম্পূর্ণ আধুনিক কাঠামোতে নির্মিত কটেজ। এখানে এই মনোরম পরিবেশ শুটিং ও পিকনিক স্পট হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবাসিক- এখানকার নিরাপদ এবং আরামদায়ক রুমগুলো চার ধরনের, যা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চাহিদা পূরণ করে।

রিভার প‌্যালেস, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের প্রাচীন প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন শশীলজ, লোহার তৈরি আলেকজান্ডার ক্যাসেল, কাঠের তৈরি গৌরীপুর লজ, মুক্তাগাছা ও রামগোপালপুরের জমিদারবাড়ির মতোই একালের দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলী ‘সিলভার ক্যাসেল’। এটি একটি আবাসিক হোটেল হলেও আধুনি কায়নের স্বপ্নময় শিল্প-বোধ ও সৌন্দর্যের ধারণায় বদলে যাওয়া এক নতুন স্থাপত্য, যা সবার কাছে ময়মনসিংহের অন্যতম দর্শনীয় বিনোদন কেন্দ্রও বটে।

চারতলা বিশিষ্ট সিলভার ক্যাসেল ভবনের অলঙ্কারিক কারুকাজের পাশাপাশি কৃত্রিম সাজসজ্জার গার্ডেন, সুইমিংপুল, শাপলা ফুলের ফোয়ারা, পার্ক, মঞ্চ ও সুসজ্জিত তোরণ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এক একর জায়গাজুড়ে ভবনের প্রবেশ পথের দুইধারে যেমন রয়েছে নান্দনিকতার ছোঁয়া তেমনি রয়েছে নানা বাহারি ফুলের বাগান। কয়েক হাত দূরে দূরে টবে লাগানো বাহারি ফুলের গাছ, ঝাউ আর ক্যাকটাসের পাশাপাশি ঝরনার পাশে সিমেন্টের ছাতার নিচে অবসর কাটানোর সুদৃশ্য চৌকি এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শামুকের আদলে তৈরি করা বসার স্থানগুলো চোখে পড়ার মতো। বৈকালিক পরিবেশ ও সান্ধ্যকালীন আলোকসজ্জা বহুদূর থেকেই নজরকাড়ে।

সাদুল্লাপুর, সাভার
সাদুল্লাপুর গ্রামটিতেই গোলাপের চাষ হয়। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত সব ঋতুতেই চলে গোলাপ চাষ। তবে এখানে গোলাপের দামের উঠানামা করে। আপনি চাইলে গোলাপের গ্রাম থেকে গোলাপ কিনে প্রিয়জনকে উপহার দিতে পারেন

এই গ্রামে যতদূর শুধু চোখ যায় গোলাপের বাগান। অপরুপ সৌন্দর্যের গোলাপের গ্রাম দেখতে আপনাকে আসতে হবে সাভারের তুরাগ নদীর তীরে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর গ্রামে। রাস্তার দুই পাশে দুই দিকে যত দূর চোখ যায় শুধু টকটকে লাল গোলাপ ফুল। দূর থেকে তাকালে মনে হবে যেন গোলাপের স্বর্গরাজ্য।

কলাকোপা বান্দুরা
কলাকোপার দর্শনীয় স্থানগুলো খুবই কাছে কাছে। পর্যটকদের বাস থেকে কোকিল প্যারি স্কুলের সামনে নামিয়ে দেয়া হয়ে থাকে। নেমেই রাস্তার ওপারে এক সারিতে কোকিল প্যারি জমিদার বাড়ি, উকিল বাড়ি ও জজ বাড়ি (জমিদার ব্রজেন সাহার ব্রজ নিকেতন)। কোকিল প্যারি জমিদার বাড়ির সামনের মাঠে প্রচুর গাছ লাগানো হয়েছে। গাছের ছায়ায় ভাঙ্গা বৌদ্ধ মন্দির পেরিয়ে কোকিল প্যারি জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়িতে কোকিল প্যারি হাইস্কুলের শিক্ষকদের বসবাস।

কলাকোপা থেকে একটু সামনে এগোলেই নবাবগঞ্জের বান্দুরা গ্রাম। প্রথমেই চোখে পড়বে ঐতিহ্যবাহী হলিক্রস স্কুল। স্কুলের সামনের রাস্তা ধরে লাল-ইটের পথ ধরে যেতে হবে হাসনাবাদ। পুরো এলাকাটি ওই এলাকা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বসবাস। ছিমছাম ওই পথ পেরিয়ে হাসনাবাদ জপমালা রানির গির্জা। ১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত এই গির্জাটি গথিক শিল্পকর্মের অনন্য নিদর্শন। আগে গির্জাতে প্রবেশ করার সুযোগ থাকলেও ইদানিং নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ঢুকতে দেয়া হয় না। তবে হতাশ হবার কিছু নেই, গির্জার পাশেই বিরাট খেলার মাঠ। ওই মাঠের পাশেই গির্জার রেলিংয়ের পাশে দাড়িয়ে গির্জার বাইরের অবকাঠামো পুরোটাই দেখা যায়। দেখা যায় খ্রিষ্টান কবরস্থানের কিছুটা।

রাণীগঞ্জ
রাণীগঞ্জ হতে পারে ডে ট্রিপের জন্য আদর্শ একটি জায়গা। কাপাসিয়ে ব্রিজ এর ডান পাশ দিয়ে একটি রাস্তা ধরে মাইল দশেক গেলেই রানীগন্জ। জায়গাটি শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত। এ নদীতে রয়েছে সুন্তর একটি দ্বীপ। তাছাড়া নদীতে নৌকা ভাড়া করে ঘোরা যাঢয়। নদীর ওপারের বাজারে পাওয়া যায় তাজা মাছ যা কোন রেষ্টুরেন্টে দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়।

যেভাবে যাবেন: মহাখালি আইসিডিডিআর বি এর াপজিট পেট্রল পাম্প থেকে ঘন্টায় ঘন্টায় রানীগন্জ এর বাস ছাড়ে। ভাড়া ৮০ টাকার মতো। সময় লাগবে ঘন্টা দুয়েক। কাপাসিয়ার পর রাস্তা গাছ পালায় ছাওয়া অসাধারন এক রাস্তা।

নুহাশ পল্লী
গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামের বেশীরভাগ পথই ঘন শালবনে আচ্ছাদিত। আলো আধারিতে ঢেকে থাকা এমনই একটি পথ আপনাকে নিয়ে যাবে গাজীপুর সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নুহাশপল্লীতে। কথার জাদুকর হুমায়ুন আহমেদের জন্য নুহাশপল্লী ছিল একটি স্বর্গ। টিভি নাটক এবং চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করার পর তিনি তাঁর বেশীরভাগ সময় এখানেই কাটিয়েছেন। সকলের জন্য উন্মুক্ত নুহাশপল্লীতে আসলে ছবিরমত সুন্দর এই জায়গাটি ঘুরে দেখতে পারবেন।

নুহাশপল্লীতে ঘুরে দেখার জন্য অনেক কিছুই রয়েছে যেমনঃ
১। গ্রামের বিশাল সবুজ মাঠ।
২। প্রায় ২৫০ প্রজাতির গাছ।
৩। হুমায়ুন আহমেদের কটেজ, ট্রিহাউজ, দাবা খেলার এবং নামাজপড়ার কক্ষ।
৪। ডিম্বাকৃতির সুইমিংপুল।
৫। টিনশেডের বিশাল বারান্দাসহ ‘বৃষ্টিবিলাস’ কটেজ ও ভুতবিলাস কটেজ।
৬। কাদামাটি ও টিন দিয়ে তৈরি করা শুটিং স্টুডিও।
৭। ঔষধি গাছের বাগান।
৮। মৎস্যকন্যার মূর্তিসহ একটি পানির রিজার্ভার। এটির পাশে একটি রাক্ষসের মূর্তিও আছে।
৯। কনক্রিট দিয়ে তৈরি ডাইনোসারের মূর্তি।
১০ প্রাচীন আদলে নির্মিত কিন্তু আধুনিক ঘাট সমৃদ্ধ দিঘাল দীঘি।
১১। লেকের মাঝে বসার জন্য একটি ছোট দ্বীপ রয়েছে।
১২। এছাড়াও রয়েছে শালবন, অর্কিড বাগান সহ এখানকার তিনটি বাংলো।

মৈনট ঘাট

মৈনট ঘাট থেকে দূরে তাকালে সমুদ্রের বেলাভূমির খানিকটা আভাস মেলে। দিগন্ত ছুঁয়ে থাকা পদ্মার উত্তাল ঢেউয়ের মাথায় দুলতে থাকা নৌকা, প্রায় ডুবুডুবু স্পিডবোটের ছুটে চলা, পাড়ে সারিবদ্ধ বাহারি রঙের ছাতার তলায় পেতে রাখা হেলান-চেয়ার। ঘাটের কাছাকাছি দুই পাশে হোটেলের সারি। সেগুলোর সাইনবোর্ডে ঘাটের পরিচিতি ‘মিনি কক্সবাজার’।

ঢাকার দোহার উপজেলার পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীর কোলে মৈনট ঘাট। দোহার থেকে দূরত্ব প্রায় আট কিলোমিটার। নদীর অপর পাড়ে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন। পদ্মা ভাঙতে ভাঙতে দোহারের প্রান্তে এখন চরমোহাম্মদপুরে এসে ঠেকেছে। এখানেই ঘাট। ঢাকার গুলিস্তান থেকে সরাসরি পাকা সড়ক চলে এসেছে ঘাট পর্যন্ত। এই রুটে বাস সার্ভিসও চালু আছে বহুদিন থেকে। এখন জনপ্রতি ভাড়া ৯০ টাকা। ঢাকা থেকে বাসে আসতে সময় লাগে ঘণ্টা তিনেক। আসলে সময় নির্ভর করে পথের যানজটের ওপর।

Rent for add

Facebook

for rent