ঢাকা: সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

সবসময় ঘুম ঘুম ভাব কেন থাকে অনেকের

একাজ সেকাজ মিলিয়ে মানুষের এখন বিশ্রামের সময় কম। সবসময়ই কোনো না কোনা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। কাজের চাপে চাইলেও হয়তো সবসময় শরীরের ঠিকঠাক যত্ন নেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না।

আর এতসব চাপের আড়ালে সবার অগোচরে দিনে দিনে যা কমতে থাকে তা হলো ঘুম। তাই অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় দুপুরের খাবার পরপরই চোখ বুজে আসে ঘুমে। চা-কফি কিছুতেই যেন খুব একটা কাজ হয় না।

যারা অফিসে কাজ করেন শুধুমাত্র তাদেরই যে ব্যস্ততায় দিন কাটে তা কিন্তু নয় , যারা বাড়িতে থেকে সারাদিন ধরে সংসার সামলান , তাদের ব্যস্ততাও কোনো অংশেই কম নয় । কিন্তু আপনার যদি সারাখুনই ঘুম পাই এবং ঘুমিয়েও পড়েন তাহলে কিন্তু সেটা বেশ চিন্তার বিষয়।

অতিরিক্ত ঘুমের কারণ
শারীরিক এবং মানসিক নানা কাজের চাপে অতিরিক্ত ঘুম পায় , তাছাড়াও আরো কিছু কারণ থাকতে পারে-

আরও পড়ুন
কেমন হলো গিনি ওয়েডস সানি

১) ঠিক সময় না ঘুমোনো
অনেকেই আছে যারা অনেক রাত করে ঘুমোন। তাই পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। আর সারাদিন ঘুম পায় ও শরীরে অস্বস্তি লেগেই থাকে।

২) নানান অসুখ
আজকাল লাইফস্টাইলের জন্য অসুখ নিত্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহিলাদের থাইরয়েডে, পিসিওডি ইত্যাদি সমস্যা থাকে। এগুলো কিন্তু শরীরে ক্লান্তি আনে এবং ফলস্বরূপ অতিরিক্ত ঘুম পায়।

৩) অবসাদ
জীবনে নানান প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে আমাদের যেতে হয়, সে কাজের চাপ হোক বা টাকাপয়সার চিন্তা বা শরীরের চিন্তা এসব নানান সমস্যার জন্য অনেকসময় অবসাদ হয়, শুধু শরীর খারপ হলেই যে ঘুম পায় তা কিন্তু নয় মানসিক ক্লান্তিতেও আমাদের বড্ডো বেশি ঘুম পায়। তাই নিজেই নিজের অবসাদ গুলো চিনে সেটা কাটিয়ে তোলার ব্যবস্থা করুন।

৪) ভারী খাবার খাওয়া
দুপুরে যদি খুব বেশি ভারী খাবার খান তাহলে কিন্তু দিনের বেলা ঘুম পাওয়াটাই স্বাভাবিক। আসলে আমাদের খাবার হজম হতে বেশ খানিকটা সময় লাগে , বেশি তেল মশলাযুক্ত খাবার, হাই প্রোটিন খাবার এগুলো হজম হতে আরো বেশি সময় লাগে। দুপুরে যদি খুব বেশি পরিমাণে ভাত খান তাহলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক বেশি চলে যায় শরীরে। তার কারণে ঝিমুনি আর ঘুম পায়।

আরও পড়ুন
বেকার? নতুন কিছু শুরুর কথা ভাবছেন? পড়ুন তাহলে। কাজে তো লাগতেই পারে

৫) শরীরের ধরণ
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে আমাদের শরীরের ৩ প্রকার দোষ হতে পারে- বাত, পিত্ত এবং কফ। বাত অর্থাৎ যাদের শরীরে হাওয়া বা গ্যাসের পরিমান বেশি, পিত্ত অর্থাৎ যাদের শরীর খুব বেশি মাত্রায় গরম এবং কফ অর্থাৎ যাদের শরীরে জলীয়ভাব বেশি থাকে। যাদের শরীরে জলের পরিমান বেশি তাদের মধ্যে সবসময় একটা ঘুম ভাব রোএ যায় একটা ক্লান্তিবোধ লেগেই থাকে।

কী কী হতে পারে এর জন্য?
১।ঘুমের আধিক্যতার জন্য আপনার শরীরে থাবা বসাতে পারে ডায়বেটিস।
২।যাদের বেশি সময় ধরে ঘুমের অভ্যেস, একদিন কম ঘুমালেই, তাদের মাথা যন্ত্রণার মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
৩।আবার দীর্ঘক্ষণ শোয়ার ফলে, হাত চলা বা কোনো রকম মুভমেন্ট হয় না, ফলে মেদ বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।
৪।অন্যদিকে এই একই কারণে কোমরে , পিঠে যন্ত্রণা হতেও দেখা যায় অনেকের।
৫।মূলত আগে যেমন বললাম, কোনো মানসিক অবসাদ থাকলে, মানুষ অনেক সময় বেশি ঘুমায়। কিন্তু তাতে মানসিক অবসাদ আরো বাড়ে।

Rent for add

Facebook

for rent